মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

আপনাদের নানা প্রশ্ন

নাগরপুরের জীবন ও জীবিকা নাগরপুর উপজেলা টাংগাইল জেলার সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ায় শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ব্যবসা বাণিজ্যসহ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জেলা শহরের প্রভাব বলয় মুক্ত হয়ে পৃথক স্বাতন্ত্র নিয়ে তেমনভাবে এগিয়ে আসতে পারেনি। এতদসত্বেও স্থানীয় উদ্যোগী ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাসাইল তাঁর জীবন জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাসাইল টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছে। বাসাইল উপজেলার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল ভিত্তি কৃষি। বিভিন্ন পেশাজীবীগণের মূল কার্যক্রম কৃষিকে ঘিরেই। কোন কোন ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে কিছু কিছু পেশাজীবী সৃষ্টি হয়েছে। যারা উন্নয়নের অনুষংগ। যেমন- রাজমিস্ত্রী, ড্রাইভার, ভ্যান চালক, ইলেকট্রিশিয়ান, পাম্প মেশিন চালক, পাওয়ার ট্রিলারের ড্রাইভার, মেকানিক ইত্যাদি। এরা পেশাজীবী হলেও সনাতনী ভাবে সম্প্রদায়গত পেশাজীবী নয়। বাসাইল উপজেলায় বংশ পরম্পরায় পেশাজীবী হিসাবে নিম্নবর্ণিত পেশার লোকজনকে দেখা যায়। ১। কুমারঃ মাটি দিয়ে বিভিন্ন তৈজসপত্র, হাঁড়িপাতিল, গৃহস্থালী ব্যবহার্য সামগ্রী, মূর্তি, প্রতিমা তৈরী করে থাকেন এ সম্প্রদায়ের লোকজন। তারা নামের শেষে পাল পদবী ব্যবহার করেন। মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনই এখন পর্যন্ত এ পেশায় নিয়োজিত। স্থানীয়ভাবে এ সম্প্রদায়ের লোকজন কুমার বা পাল হিসাবে পরিচিত। বাসাইল উপজেলা সদর ইউনিয়নে কুমার পাড়া, রাসরা এবং কাশিল ইউনিয়নের কাশিল গ্রামে এ সম্প্রদায়ের বেশ কিছু লোক বসবাস করে। বাসাইলের ঝরোপাল, অনিল পাল, টেনু পাল, বাবু, বীরেন্দ্র পাল কুমার হিসাবে প্রসিদ্ধ। ২। কর্মকারঃ লোহা গলিয়ে দা, কাঁচি, কুড়াল, বটি, প্রভৃতি গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি তৈরী করে থাকেন এ সম্প্রদায়ের লোকজন। স্থানীয়ভাবে এরা কামার হিসাবে পরিচিত। বাসাইলের মিরিকপুর এবং কাঞ্চনপুরের কর্মকার পাড়ায় এ সম্প্রদায়ের কয়েক ঘর লোক বাস করেন। কাঞ্চনপুরের গোবিন্দ কর্মকার, কার্তিক কর্মকার, প্রফুল্ল কর্মকার এবং বাসাইলের হৃদয় কর্মকার স্থানীয়ভাবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। ৩। স্বর্ণকারঃ সোনা-রূপাসহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু দিয়ে অলংকার তৈরী করে থাকেন এ সম্প্রদায়ের লোকজন। স্বর্ণকার এবং কর্মকার হিসাবে তারা স্থানীয়ভাবে পরিচিত। কাঞ্চনপুরের কর্মকার পাড়া, বাসাইলের সাহা পাড়া এবং মিরিকপুরের বেশ কয়েক ঘর স্বর্ণকার বসবাস করে থাকেন। এদের মধ্যে মিরিকপুরের ঝরো কর্মকার, সাহা পাড়ার দীনবন্ধু কর্মকার, কাঞ্চনপুরের ভবেশ কর্মকার, বিলাস কর্মকার, কালাচাঁন কর্মকার তাদের দক্ষতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৪। নরসুন্দরঃ বাসাইল উপজেলার বাসাইল পশ্চিম পাড়া, বাসাইল উত্তর পাড়া এবং কাঞ্চনপুর ঢংপাড়ায় বেশ কিছু নরসুন্দর বসবাস করে। স্থানীয়ভাবে তারা নাপিত বা শীল হিসাবে পরিচিত। মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের লাকজনই এ পেশার কৌলিন্য ধরে রেখেছে। বাসাইলের অমূল্য শীল, নারায়ণ শীল, পরিমল শীল, ঢংপাড়ার প্রকাশ, সাধন এবং শ্যামল এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে পরিচিত। ৫। সূত্রধরঃ স্থানীয়ভাবে এ সম্প্রদায়ের লোকজন ছুতার বা কাঠমিস্ত্রী হিসাবে পরিচিত। বাসাইল রায় বাড়ী, নাইকানী বাড়ী, মিরিকপুর, কাশিল, নাকাছিম, সৈদামপুর, কাউলজানী, ময়থা, আইসড়া এবং করাতিপাড়ায় এ সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করেন। বাবুলাল সূত্রধর, মাধব সূত্রধর, সুরেশ সূত্রধর, সুরেন্দ্র সূত্রধর, মনীন্দ্র সূত্রধর, কার্তিক সূত্রধর, প্রফুল্ল সূত্রধর বাসাইলে ব্যাপকভাবে পরিচিত। ৬। জেলেঃ মাছ ধরা এ সম্প্রদায়ের কাজ। উপজেলার বাসাইলের মিরিকপুর, এস আর পাড়া, কাঞ্চনপুরের ঢংপাড়া, কাউলজানী, ফুলকী’র খাটরা এবং হাবলা ইউনিয়নের আরোহা এবং জীবনেশ্বর গ্রামে এ সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করেন। তারা নামের শেষে রাজবংশী পদবী ব্যবহার করেন। বাসাইলের সুবল রাজবংশী, নারায়ণ রাজবংশী এবং যদু রাজবংশী এ পেশার পরিচিত মুখ। ৭। মুচিঃ গবাদি পশুর চামড়া দিয়ে জুতা, স্যান্ডেল এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরী ও মেরামত করা এ সম্প্রদায়ের লোকজনের কাজ। এদের মধ্যে কেউ কেউ বাদ্যকর হিসাবে পরিচিত । এ সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজেদের মুনি-ঋষি পরিচয় দিতে ভালবাসেন। তারা মূলত বিয়ে, উৎসব, পুজা- পার্বণে গান বাজনা ও বিভিন্ন বাঁশি বাজিয়ে উৎসবকে মাতিয়ে রাখে। বর্তমানে এ পেশার লোকজনের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। বাসাইলের আন্দিরা পাড়ায় এ সম্প্রদায়ের কয়েক ঘর লোক বসবাস করেন। স্থানীয়ভাবে তাদের বসবাসকৃত এলাকাটি বাসাইল বাদ্যকর পাড়া হিসাবে পরিচিত। কার্তিক বাদ্যকর, গোপাল বাদ্যকর, গোবিন্দ বাদ্যকর এদের মধ্যে সুপরিচিত। ৮। ধোপাঃ কাপড়-চোপড়, পরিধেয় বসন, বেডশীটসহ অন্যান্য এ জাতীয় সামগ্রী ধোয়া ও ইস্ত্রিকরা এ সম্প্রদায়ের কাজ। বাজার এবং পরিচিতস্থানে লন্ড্রির দোকান দিয়ে এ পেশার লোকজন সেবা প্রদান করে থাকেন। ঐতিহ্যগতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এ পেশায় নিয়োজিত। বাসাইলের এস আর পাড়ায় এ পেশার লোকজন বসবাস করেন। স্থানীয়ভাবে তারা ধুপি বা ধোপা হিসাবে পরিচিত। বাসাইলের সুভাষ এবং স্বপন ধোপা হিসাবে সুপরিচিত। ৯। গাড়োয়ানঃ এ সম্প্রদায়ের লোকজন ঘোড়ার গাড়ী চালানোর কাজে নিয়োজিত থাকেন। অতীতে পণ্য এবং জন পরিবহনের ক্ষেত্রে বাসাইলে এর ব্যাপক প্রচলন থাকলেও রাস্তা ঘাট উন্নয়নের সাথে সাথে এ পেশার লোকজনের সংখ্যা কমে এসেছে। এখন কেবল মাত্র ফুলকী ইউনিয়নে পণ্য সামগ্রী পরিবহনে কিছু সংখ্যক ঘোড়ার গাড়ী ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অতীতে ঘোড়ার গাড়ীতে কাঠের চাকা ছিল। ফলে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হতো। বাসাইলের প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব খালেকুজ্জামান সাহেবের কঠোর পদক্ষেপের ফলে ঘোড়ার গাড়ীতে রাবারের চাকা লাগানো হয়। এখনও সে ধারা অব্যাহত রয়েছে। ১০। তৈলজীবীঃ দেশীয় যন্ত্র ঘানি দ্বারা তৈলবীজ থেকে এ সম্প্রদায়ের লোকজন তৈল উৎপাদন করে থাকেন। সরিষা, তিল, তিষি, বাদাম, সূর্যমুখী বীজ এ কাজে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহুত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের এ পেশার লোকজন ঐতিহ্যগতভাবে ’কুলু’ হিসাবে পরিচিত। এ কাজে মুসলমানগণ নামের পার্শ্বে বেপারী পদবী ব্যবহার করে থাকেন। বাসাইলের পূর্বপাড়া, উত্তর পাড়া, বেপারী পাড়া, ডুমনী বাড়ী, রায়বাড়ী এলাকায় এ পেশার লোকজন বসবাস করে থাকেন। বাসাইলের মোঃ আব্দুর রশিদ বেপারী, তহর বেপারী, মোঃ মজিবর বেপারী এ পেশার পরিচিত মুখ। ১১। হাজামঃ মুসলমানী করার কাজে এ পেশার লোকজন নিয়োজিত। বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের প্রায় সর্বত্র বিশেষ করে গাছ পাড়া, ফুলকী দক্ষিণ পাড়া, আইক পাড়ায় এ পেশার লোকজন বসবাস করেন। ফুলকী দক্ষিণ পাড়ার ফজলুর রহমান, হাবিবুর রহমান, লিয়াকত আলী, ওমর আলী এ পেশায় প্রসিদ্ধ লোক। সাম্প্রতিক কালে চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নতি ও প্রসারের ফলে এ পেশাটি বিলুপ্তির পথে। ১২। গোয়ালাঃ গবাদি পশুর দুধ দিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক মিষ্টি, ছানা, দই প্রস্ত্তত করা এ পেশার লোকজনের কাজ। কাশিল ইউনিয়নের ফুলবাড়ী এবং হাবলা ইউনিয়নের আরোহা গ্রামে এ পেশার কিছু লোক বসবাস করেন। স্থানীয়ভাবে বাসাইল ও বাথুলী সাদী বাজারের দই ও মিষ্টি ব্যাপকভাবে প্রসিদ্ধ। বাসাইলের ইন্তাজ, মহাদেব, জীতেন, সহদেব এবং রমজান মিয়ার মামা-ভাগ্নে মিষ্টান্ন ভান্ডারের দই এলাকায় জনপ্রিয়। ময়না মিয়া দইয়ের পাশাপাশি বাবুর্চি বা পাকাঞ্চি হিসাবেও এলাকায় প্রসিদ্ধ। ১৩। ব্রাহ্মণঃ ঠাকুর হিসাবে এ সম্প্রদায়ের লোকজন পরিচিত। হিন্দু সম্প্রদায়ের পুজা-অর্চণা, শ্রাদ্ধ, বিয়েসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকেন ব্রাহ্মণগণ। হিন্দু সম্প্রদায়ের উচ্চ বর্ণের লোকজনই কেবল মাত্র এ পেশায় নিয়োজিত। নামের শেষে স্যান্যাল, চক্রবর্তী, নাগ প্রভৃতি পদবী তাঁরা ব্যবহার করেন। বাসাইলের পূর্বপাড়া এবং মিরিকপুরে কয়েক ঘর এ সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করেন। বাসাইলের সাধন চক্রবর্তী, গৌতম চক্রবর্তী খ্যাতনামা ব্রাহ্মণ হিসাবে পরিচিত। ১৪। তাঁতী/তন্তুবায়ঃ দেশী তাঁতে পরিধেয় বস্ত্র তৈরী করা এ সম্প্রদায়ের কাজ। স্থানীয়ভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁতী এবং মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন কারিগর হিসাবে পরিচিত। কাশিল, হাবলা, ফুলকী এবং কাউলজানী ইউনিয়নে এ সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করেন। কাশিলের বাথুলী সাদী চাদর, টাংগাইল শাড়ী, হাবলা, টেংগুরীয়া পাড়া, পূর্বপাড়া চাদর, গামছা, ফুলকী’র ময়থা, আইক পাড়া, সোনাপাড়া, নেধার, খাটরা, টাংগাইল শাড়ী এবং কাউলজানীর নয়াপাড়া এবং বার্থা গ্রামে টাংগাইলের শাড়ী, ওড়না এবং কামিজের কাপড় তৈরী হয়। বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী বাসাইলে ৪৯২টি ইউনিটে বর্তমানে ১৬৫০টি তাঁত সচল রয়েছে। এ পেশায় প্রায় ৫,৫০০ জন শ্রমিক বর্তমানে নিয়োজিত। উল্লেখিত পেশাজীবী সম্প্রদায় ব্যতিত আরো কয়েক রকমের ব্যবসায়ী বাসাইল উপজেলায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তারা নিম্নরূপঃ K) ব্যবসায়ীঃ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত পণ্য সামগ্রী এলাকাবাসীর নিকট সহজলভ্য করে ব্যবসায়ীগণ তাদের আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাসাইল বাজারের বাদল মিয়া, সুভাষ সাহা, মহাদেব সাহা, গোপাল সাহা, প্রাণকৃষ্ণ সাহা, ফিলিপ, কালাম, আব্দুল হক, সুখেন সাহা প্রমুখ ব্যবসায়ীগণ ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাসাইল বাজারের ডাঃ রহিম, শাহজাহান ডাক্তার, স্থানীয়ভাবে সেবা প্রদান করেন। L) করাতকলঃ করাতকলের মাধ্যমেও গাছ ও কাঠ চিরাই করে কিছু ব্যবসায়ী নিজেদের এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। বাসাইলের ভাই ভাই, এলাহী ’স’ মিল, বাথুলী সাদীর আল্লাহর রহমত এবং বটতলার তিনতারা ’স’ মিল, হাবলা বাঐখোলার পদ্মা ’স’ মিল, কাঞ্চনপুর বিলপাড়া হাটের শাহীন এবং তালুকদার ’স’ মিল ছাড়াও ফুলকীর আইসড়া বাজার এবং কাউলজানীর পুরাতন হাট, কল্যাণপুর এবং ডুমনী বাড়ী বাজারে বেশ কয়েকটি ’স’ মিল রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে কাঠের সরবরাহ কম থাকায় বেশীরভাগ সময় এসব ’স’ মিল বন্ধ থাকে। M) পেট্রোল পাম্পঃ ঢাকা-টাংগাইল মহাসড়কের বাসাইল অংশের গুল্লা গ্রামে তিনটি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। যথা- নাহিদ ফিলিং স্টেশন, হাজী ফিলিং স্টেশন, ফোর ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশন। তবে কাশিল বটতলায় সম্প্রতি একটি ফিলিং স্টেশন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এসব ফিলিং স্টেশনসমূহ প্রয়োজনীয় পেট্রোল, ডিজেল, মবিল, কেরোসিন প্রভৃতি সরবরাহ করে উপজেলার যানবাহন এবং সেচ যন্ত্রকে সচল রাখছে। N) সার ব্যবসায়ীঃ বাসাইল উপজেলায় ১০ জন সার ডিলার রয়েছেনঃ- প্রষ্ঠিানের নাম স্বতাবধিকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়ন ১। মেসার্স মোঃ আলী আজগর খান মোঃ আলী আজগর খান বাসাইল ২। মেসার্স আল মদিনা ট্রেডার্স হাজী মোঃ মতিয়ার রহমান ঐ ৩। মেসার্স শফিউদ্দিন আহম্মেদ মোঃ শফিউদ্দিন আহম্মেদ ঐ ৪। মেসার্স টু ব্রাদার্স মহাদেব চন্দ্র সাহা ঐ ৫। মেসার্স আবু হানিফ মিয়া মোঃ আবু হানিফ মিয়া ঐ ৬। মেসার্স লিজা এন্টারপ্রাইজ বেগম নাসরিন নাহার পারভীন ঐ ৭। মেসার্স আলম ট্রেডার্স মোঃ শামছুল আলম কাশিল ৮। মেসার্স রুবি এন্টারপ্রাইজ দিলরুবা আক্তার রুবি কাঞ্চনপুর ৯। মেসার্স আশিক এন্টারপ্রাইজ মোঃ আশিকুর রহমান কাউলজানী ১০। মেসার্স যমুনা ট্রেডার্স মোঃ আসাদুর রহমান হাবলা বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নে কোন সুনির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত সার ডিলার নাই। উপজেলার সার ডিলারগণ স্থানীয় বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ফুলকী ইউনিয়নে সার সরবরাহ করে থাকেন। O) ইটভাটাঃ শ্রমঘন শিল্প হিসাবে ইটভাটা বাসাইল উপজেলায় বেশ কিছু সংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাসাইল উপজেলায় বর্তমানে ৫(পাঁচ) টি ইটের ভাটা রয়েছে। তন্মধ্যে দু’টি বাসাইল ইউনিয়নে এবং তিনটি কাশিল ইউনিয়নে। বাসাইলের দু’টির মধ্যে একটি বাসাইলে এবং অপরটি মিরিকপুরের সখিপুর সীমান্তে অবস্থিত। কাশিল ইউনিয়নের তিনটির মধ্যে দু’টি বাংড়া গ্রামে এবং অপরটি কামুটিয়া গ্রামে অবস্থিত। এসব ভাটার স্বত্তাধিকারী হিসাবে রয়েছেন সর্বজনাব মোঃ মজিবর রহমান, মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ ইনছান আলী, আব্দুল মাজেদ এবং মোঃ শরিফুল ইসলাম মানিক। বাসাইল উপজেলার ইটের চাহিদার একটি অংশ এসব ভাটা থেকে পূরণ করা হয়ে থাকে। চ) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পঃ বিসিক, টাঙ্গাইল এর তথ্যানুযায়ী বাসাইল উপজেলায় বিস্কুট এবং বেকারী-৩টি, জ্যাম, জেলী, আচার, চানাচুর-১টি, আইসক্রীম ফ্যাক্টরী-১টি, রাইসমিল-৪টি, অয়েল মিল-৪টি, হালকা প্রকৌশল ও স্টীল ফার্নিচার-১২টি, পোষাক তৈরী, ব্লক বাটিক-১৪টি, মৃৎ শিল্প-২১টি এবং সাবানসহ অন্যান্য শিল্প রয়েছে-৫টি। এ সব শিল্পের প্রতিটিতে গড়ে ৫/৬ জন লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। এ ছাড়াও উপজেলায় খাদ্য সহায়ক ৭০০টি, বস্ত্র সহায়ক ৩৫০টি, বনজ সহায়ক ১০৫০টি, প্রকৌশল সহায়ক ১১২০টি, রসায়ণ সহায়ক ৩৫টি, সিরামিক সহায়ক ১০৫টি ও বিবিধ শিল্প রয়েছে ৭০টি। এসব কুটির শিল্পে আত্মকর্মসংস্থান ছাড়াও ২/১ জন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। উল্লেখিত পেশাজীবী সম্প্রদায়ের লোকজন ছাড়াও কিছু শ্রমিক, কুলি, রিকশা চালক প্রভৃতি পেশার লোকজন প্রতিনিয়ত এলাকায় তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রচেষ্টায় রয়েছেন। মৌসুমী শ্রমিক হিসেবে এরা পরিচিত। যখন কাজ না থাকে তখন এরা জীবিকার সন্ধানে ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়।